তবে বাজারে মসলাজাত পণ্যটির সরবরাহ বাড়লেও খুচরা মূল্যে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি।
ভোমরা কাস্টমস হাউজের রাজস্ব বিভাগের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে ২ হাজার ৬৭৮ টন জিরা আমদানি করা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১১৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের ঠিক একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৮৯ টন, যার মূল্য ছিল ৯৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিরা আমদানি বেড়েছে ৪৮৯ টন।
ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, দেশের বাজারে জিরার ব্যাপক চাহিদা থাকায় আমদানি বেড়েছে।
ভোমরা বন্দরের অন্যতম আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, এ বন্দর দিয়ে আমদানি করা জিরাসহ অন্যান্য মসলা ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হয়।
তবে আমদানি বাড়লেও পণ্যটির দাম কমেনি খুচরা বাজারে। সাতক্ষীরার জেলা সদরের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুই-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে জিরার দাম বেড়েছে। সুলতানপুর বড় বাজারের খুচরা বিক্রেতা মেসার্স ফতেমা স্টোরের স্বত্বাধিকারী আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমানে ভারতীয় জিরা কেজিপ্রতি ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ছিল ৬৭৫-৬৮০ টাকা। অন্যদিকে ইরানি জিরার দাম কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে জানান, বন্দরে আমদানি বাড়ার পরও সাতক্ষীরার খুচরা বাজারে জিরার দাম কেন কমছে না সেটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।